ফৈলজানা ধর্মপল্লীতে নির্মিত হলো মা-মারিয়ার গ্রোটো
ছবি: ফাদার পিউস গমেজ

ফাদার বিকাশ কুজুর, সিএসসি

ফৈলজানা ধর্মপল্লীর খ্রিস্টভক্তদের মা-মারিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা-ভক্তি প্রকাশ করার সুযোগ করে দিতে ফৈলজানা ধর্মপল্লীতে নির্মাণ করা হলো মা-মারিয়ার গ্রোটো। খ্রিস্টভক্তদের আধ্যাত্মিক জীবনে যোগ হলো নতুন অধ্যায়। ধর্মপল্লীতে রচিত হলো নতুন ইতিহাস।

শুধু মা-মারিয়ার গ্রোটোই নয়, ধর্মপল্লীর পুরাতন গির্জাটি যেটি হলরুম হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল সেটি আবার নতুন করে সংস্কার করা হয়।

রবিবার (৩০ আগস্ট) ফৈলজানা ধর্মপল্লীতে আনুষ্ঠানিকভাবে মা-মারিয়ার গ্রোটো ও হলরুম উদ্বোধন করেন রাজশাহী ধর্মপ্রদেশের ধর্মপাল বিশপ জের্ভাস রোজরিও, এসটিডি, ডিডি।

ফৈলজানা ধর্মপল্লীতে নির্মিত হলো মা-মারিয়ার গ্রোটো
ছবি: ফাদার পিউস গমেজ

সকালে দুটি খ্রিস্টযাগ অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় খ্রিস্টযাগ উৎসর্গ করেন রাজশাহী ধর্মপ্রদেশের ধর্মপাল।

খ্রিস্টযাগে উপস্থিত ছিলেন ধর্মপল্লীর পাল-পুরোহিত ফাদার অ্যাপোলো রোজারিও, সিএসসি, ফাদার পিউস গমেজ, ধর্মপল্লীর সহকারী পাল-পুরোহিত ফাদার বিকাশ কুজুর, সিএসসি, এসএমআরএ সিস্টারগণ এবং প্রায় তিনশত খ্রিস্টভক্ত।

খ্রিস্টযাগের পর ‘ভুবণমোহিনী দাবিদনন্দিনী…’ গান গাইতে গাইতে খ্রিস্টভক্তগণ নবনির্মিত গ্রোটোর সামনে উপস্থিত হন। তখন বিশপ মহোদয় গ্রোটো আর্শীবাদ ও প্রদীপ প্রজ্বলন করেন। এরপর সকলে গান গাইতে গাইতে সংস্কারকৃত হলরুমের সামনে উপস্থিত হন।

ছবি: ফাদার পিউস গমেজ

প্রথমে বিশপ মহোদয় ও পাল-পুরোহিত হলরুমের লিপিফলক উন্মোচন করেন। বিশপ মহোদয় হলরুম আর্শীবাদ ও পরিদর্শন করেন। এসময় সকলের উদ্দেশে তিনি বলেন, এ বছর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর শতবছর পূর্তির উৎসব চলছে। আমরাও বাংলাদেশ খ্রিস্টমণ্ডলীর একজন বিশেষ ব্যক্তিত্ব ‘ঈশ্বরের সেবক আর্চবিশপ থিওটোনিয়াস অমল গাঙ্গুলী’র শতবছর পূর্তি উৎসব করছি। আর এ বছরেই আমরা তাঁর নামে প্রতিষ্ঠিত এই হলরুম পেয়েছি। আমি আশা করি, এখানে অনেক সুন্দর কিছুর চর্চা হবে এবং ধর্মপল্লীর গঠনকার্যে এটি একটি চমৎকার ভূমিকা রাখবে।

ধন্যবাদের বক্তব্যে পাল-পুরোহিত ফা. অ্যাপোলো রোজারিও, সিএসসি গ্রোটো নির্মাণে সকলের উদার সাড়াদান ও সুপরামর্শের জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানান। আর্শীবাদিত বিস্কুট সকলের মধ্যে বিতরণ করার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

image_printপোস্টটি প্রিন্ট করতে ক্লিক করুন...