ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে ধারণা
ফ্রিল্যান্সার নাসিম (ছবি: সংগৃহীত)

আউটসোর্সিং (Outsourcing) হচ্ছে একটি প্রতিষ্ঠানের কাজ নিজেরা না করে বাইরের কোন প্রতিষ্ঠানের বা ব্যক্তির সাহায্যে করিয়ে নেয়া।

এই কাজ হতে পারে কোনো প্রকল্পের অংশ বিশেষ অথবা সমগ্র প্রকল্প।

ফ্রিল্যান্সিং (Freelancing) হচ্ছে যখন কোন ব্যক্তি কোন নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে কাজ না করে চুক্তিভিত্তিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির কাজ করে থাকেন।

>> এ লেখকের আরো লেখা পড়ুন : নতুন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে মার্কেটপ্লেসে কাজ শুরু করবেন যেভাবে

একজন ফ্রিল্যান্সারের যেরকম রয়েছে কাজের ধরণ নির্ধারণের স্বাধীনতা, তেমনি রয়েছে যখন ইচ্ছা তখন কাজ করার স্বাধীনতা।

গতানুগতিক অফিস সময়ের মধ্যে ফ্রিল্যান্সার স্বীমাবদ্ধ নয়। কোম্পানিগুলো সাধারণত আউটসোর্সিং করে উৎপাদন খরচ কমানোর জন্য। অনেক সময় পর্যাপ্ত সময়, শ্রম অথবা প্রযুক্তির অভাবেও আউটসোর্সিং করা হয়।

মূলত তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর কাজগুলো (যেমন-Web Development, Software Development Apps Development,Writing & Content, Design, Multimedia & Architecture, SEO/SEM/SMM, Data Entry ইত্যাদি) আউটসোর্সিং করা হয়।

>> এ লেখকের আরো লেখা পড়ুন : নতুন ফ্রিল্যান্সারদের কাজের সেরা কয়েকটি মার্কেটপ্লেস

যেসকল দেশ এই ধরনের সার্ভিস দিয়ে থাকে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ভারত, ইউক্রেন, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ইন্দোনেশিয়া, চীন, ফিলিপিন, রাশিয়া, পাকিস্তান, পানামা, নেপাল, বাংলাদেশ, রোমানিয়া, মালয়েশিয়া, মিশর এবং আরো অনেক দেশ।

ইন্টারনেটে আয়ের আগে জানতে সাতটি বিষয়-
১. কম্পিউটারের সঠিক ব্যবহার শিখুন;
২. ইন্টারনেটের ব্যবহার;
৩. ইমেইল, মেসেঞ্জার এর ব্যবহার শিখুন;
৪. ধৈর্য ধারণ করুন;
৫. অভিজ্ঞদের সাথে আলোচনা করুন;
৬. ফ্রীলান্স মার্কেটপ্লেস+ আপনার পছন্দের কাজগুলো চিনুন;
৭. অতঃপর আয়। সূত্র : ‘ফ্রিল্যান্সিং : ইন্টারনেট থেকে আয়’।

লেখক : ফ্রিল্যান্সার নাসিম, প্রফেশনাল ওয়েব ডেভেলপার ও গ্রাফিক্স ডিজাইনার এবং সফল ফ্রিল্যান্সার।

image_printপোস্টটি প্রিন্ট করতে ক্লিক করুন...