বিটিসিএলের আধুনিক সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়া হবে

টেকভয়েস২৪ ডেস্ক :: প্রাচীন প্রযুক্তিকে আধুনিক প্রযুক্তিতে রূপান্তরের মাধ্যমে ২০২০ সালের মধ্যে বিটিসিএল এর আধুনিক সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের ডিজিটাল সেক্টরের রূপান্তরের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক স্থাপিত হবে।

বুধবার রাতে ঢাকায় হোটেল সোনারগাঁয়ে বিটিসিএলের টেলিকম নেটওয়ার্ক আধুনিকায়ন ( এমওটিএন) শীর্ষক প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। চীনের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান জেডটিই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং ( (Li Jiming), ), ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব নূর-উর- রহমান, জেডটিই কর্পোরেশন, চীন এর ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়াং ঝু এবং বিটিসিএলের এমডি মো. রফিকুল মতিন অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।

মন্ত্রী ডিজিটাল প্রযুক্তি খাতে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতার পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিটিসিএলসহ সরকারি ডিজিটাল প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানসমূহের যথাযথ দায়িত্ব পালনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারো করেন।

তিনি বলেন, বিটিসিএলসহ বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের প্রতিষ্ঠানসমূহ ডিজিটাল প্রযুক্তি প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই ক্ষেত্রে সরকারি খাতের প্রতিষ্ঠানসমূহ যথাযথ দায়িত্ব পালন করতে না পারলে প্রতিযোগিতার ভারসাম্য থাকবে না। এই লক্ষ্যে এমওটিএন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিটিসিএল এর দেশব্যাপী বিশাল সম্পদ ও অবকাঠামো কাজে লাগানোর মাধ্যমে আধুনিক সেবা জনগণের কাছে পৌঁছানো সম্ভব।

প্রযুক্তি বিশেষ করে টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল উল্লেখ করে মোস্তাফা জব্বার বলেন, বাংলাদেশ ফাইভ জি প্রযুক্তি যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে। এই প্রযুক্তি কেবল মোবাইল ফোনে কথা বলা কিংবা ইন্টারনেট ব্রাউজ করার প্রযুক্তি নয়।

তিনি বলেন, এই প্রযুক্তি হচ্ছে চতুর্থ বা পঞ্চম শিল্প বিপ্লবের মেরুদন্ড। এই প্রযুক্তি বিশ্বে নতুন সভ্যতা রূপান্তর ঘটাতে যাচ্ছে। পৃথিবীর যে কয়টি দেশ ফাইভ জি নিয়ে কাজ করছে তার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম একটি দেশ। ২০১৮ সালে বাংলাদেশ ফাইভ জি প্রযুুক্তির পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রজ্ঞাবান নেতৃত্বে এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জনাব সজীব আহমেদ ওয়াজেদ জয় এর দিকনির্দেশনায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ আগামী ডিজিটাল সভ্যতার মহাসড়ক নির্মাণ করছে। এই মহাসড়ক আমরা যত দক্ষতার সাথে নির্মাণ করতে পারবো জাতির জন্য সামনে যাওয়ার পথ তত সহজ হবে। আমরা পিছিয়ে পড়া জাতি থেকে এগিয়ে যাওয়ার জাতিতে পরিণত হবো।