বেসিস নির্বাচনে রাসেল টি আহমেদের নেতৃত্বে ‘ওয়ান টিম’

টেকভয়েস২৪ রিপোর্ট:: দেশের সফটওয়্যার প্রস্তুত ও রফতানিকারকদের শীর্ষ বাণিজ্যিক সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) ২০২২-২৩ মেয়াদে কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচনে অভিজ্ঞ ও তারুণ্যের সমন্বয়ে দশ সদস্যের প্যানেল রূপে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চলেছে ‘ওয়ান টিম’।

টিম ক্রিয়েটিভের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল টি আহমেদের নেতৃত্বে এই প্যানেলে রয়েছেন দেশের প্রযুক্তিখাতের কয়েকজন শীর্ষ ও পরিচিত মুখ। প্রত্যেককে নিজ নিজ ব্যবসা এবং সাংগঠনিকভাবে দারুণ দক্ষ ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন।

‘ওয়ান টিম’ প্যানেলের প্রধান রাসেল টি আহমেদ বেসিসের ২০১৬-১৮ মেয়াদের ইসিতে সিনিয়র সহসভাপতি, ২০১৪-১৬ মেয়াদে সিনিয়র সহসভাপতি, ২০১৩-১৪ মেয়াদে মহাসচিব এবং ২০১২-১৩ মেয়াদে মহাসচিব ছিলেন।

মেম্বাররাই হচ্ছে বেসিসের মূল চালিকাশক্তি। তাই, ‘Every Member Matters’- এই প্রত্যয় নিয়ে দেশে ও বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের আইসিটি সক্ষমতাকে ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে এবং সংগঠনের সদস্যদের সাথে নিয়ে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় নেতৃত্ব দানে পথ সুগম করা এবং বেসিসের ঐতিহ্যকে আরও সমুন্নত করতে ‘ওয়ান টিম’ প্যানেলের সবাই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। বেসিসের সকল সচেতন ও প্রগতিশীল সদস্যদের প্রতিনিধি হিসেবে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে সাফল্য আর এই খাতের সামগ্রিক উন্নয়নে ভূমিকা রেখে চলাদের সমন্বয়ে গঠিত ‘ওয়ান টিম’।

আগামী ২৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় বেসিসের ১৪তম ইসি নির্বাচন হচ্ছে প্যানেলভিত্তিক। এবারের নির্বাচনের পরিবেশ বেশ জমে ওঠেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বেসিস অফিস পাড়ায়।

ওয়ান টিম প্যানেল রয়েছেন সাধারণ ক্যাটাগরিতে টিম ক্রিয়েটিভের রাসেল টি আহমেদ, গিগা টেক লিমিটেডের সামিরা জুবেরি হিমিকা, স্টার কমপিউটার সিস্টেম লিমিটেডের রেজওয়ানা খান, টেকনোগ্রাম লিমিটেডের এ কে এম আহমেদুল ইসলাম বাবু, এনরুট ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের আবু দাউদ খান, চালডাল লিমিটেডের জিয়া আশরাফ, জামান আইটির জামান খান, মাইন্ডল্যাবজ এর সুজাদুর রহমান। সহযোগী বিভাগে ড্রিমার্জ ল্যাব লিমিটেডের তানভীর হোসেন খান এবং অধিভুক্ত বিভাগে পাঠাও লিমিটেডের ফাহিম আহমেদ।

ওয়ান টিম প্যানেলের প্রধান রাসেল টি আহমেদ বলেন, বেসিস দেশের সফটওয়্যার প্রস্তুত ও রফতানিকারকদের শীর্ষ বাণিজ্যিক সংগঠন। দেশের সফটওয়্যার ও আইটি খাতকে নেতৃত্ব দিচ্ছে প্রাণের সংগঠন বেসিস। আমরা নির্বাচিত হয়ে এই খাতকে এগিয়ে নিতে কাজ করতে চাই। অনেক দেরিতে হলেও প্রাণের বেসিসে ফিরে এলো কাঙ্ক্ষিত নির্বাচন। নতুন উদ্যম এবং নতুন প্রত্যয় নিয়ে বেসিস এবং আইসিটি শিল্পকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে বেসিসের প্রত্যেক সদস্য আজ সংকল্পবদ্ধ। বেসিস ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে কাছ থেকে দেখার অভিজ্ঞতা আমাকে এই শিল্পের পেইন পয়েন্টগুলো বুঝার সক্ষমতা দিয়েছে বলে আমি বিশ্বাস করি। বেসিস ব্র্যান্ড তথা বেসিসের পতাকাকে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সুউচ্চ মর্যাদায় তুলে ধরতে সম্মিলিতভাবে সর্বাত্মক ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেছি। এই খাতের উন্নয়নে সরকারের সঙ্গে বিভিন্ন নীতিমালা তৈরি, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবসায়ীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট দাবি আদায়, মেম্বার স্বার্থ রক্ষা, ডিজিটাল বাংলাদেশ নীতিমালা প্রণয়ন, ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড, ইন্টারনেট উইকের মতো বিভিন্ন সম্মেলন, দেশে বিদেশে বিনিয়োগ সম্মেলন এবং কান্ট্রি ব্র্যান্ডিংয়ের নানা উদ্যোগকে সফলভাবে বাস্তবায়নে আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করেছি।

রাসেল টি আহমেদ বলেন, আবারও সময় এসেছে বেসিসের সুমহান ঐতিহ্যকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার। আমরা বিশ্বাস করি, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের প্রতিটি সদস্যই সমানভাবে এই খাতের উন্নয়ন অংশীদার। প্রত্যেক সদস্যের উন্নয়ন মানেই এই খাতের উন্নয়ন। আমরা বিভেদ নয়, সংযুক্তিতে বিশ্বাসী। পারস্পরিক মূল্যবোধ, সচেতনতা, শ্রদ্ধাবোধ, নলেজ শেয়ারিং এবং সর্বোপরি সকল সদস্যের সম অধিকার নিশ্চিত করে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে চলাই আমাদের মূল লক্ষ্য।

তিনি আরও বলেন, নিজ নিজ ব্যবসা এবং সাংগঠনিকভাবে দারুণ অভিজ্ঞতা সম্পন্ন আমরা ১০ জন বেসিসের সকল সদস্যদের প্রতিনিধি হিসেবে এবারের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছি। তবে আমরা বিশ্বাস করি, বেসিসের সকল সচেতন এবং প্রগতিশীল মনোভাবসম্পন্ন সদস্য মিলেই আমরা একটি টিম। আর পেছনে যাওয়া যাবে না। এবার দুরন্ত গতিতে তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে সামনে এগিয়ে নেয়ার সময়। প্রতিটি সদস্যের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

image_printপোস্টটি প্রিন্ট করতে ক্লিক করুন...