ই-ক্যাব সদস্য হতে যা করতে হবে
ছবি: সংগৃহীত

টেকভয়েস২৪ ডেস্ক :: তথ্যপ্রযুিক্তর এ যুগে অনেক উদ্যোক্তা আছেন যারা বিভিন্ন সময়ে ই-ক্যাবের সদস্য হতে চান কিন্তু সদস্য হতে কী করতে হবে সেটা জানেন না। ই-ক্যাবের সদস্য হতে চান কিন্তু হাতের কাছে তথ্য পান না।

এমন আগ্রহী উদ্যোক্তাদের জন্য ই-ক্যাবের সদস্য হওয়া সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য এখানে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো-

ই-ক্যাব সদস্য হওয়ার ধারাবাহিক প্রক্রিয়া
প্রথম ধাপ : ই-ক্যাবের ওয়েবসাইটে লগইন করে ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে যুক্ত হতে হবে।

দ্বিতীয় ধাপ : ই-ক্যাবের ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও ডকুমেন্ট দিয়ে ফরমপূরণ করতে হবে।

তৃতীয় ধাপ : সবতথ্য ঠিক থাকলে আপনার আবেদন গৃহিত হবে এবং আপনার কাছে ই-মেইল আসবে।

চতুর্থ ধাপ : ইউজার নাম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে আপনার মেম্বার প্রোফাইলে গিয়ে অনলাইন থেকে পেমেন্ট করে দিলেই আপনি পেয়ে যাবেন মেম্বাশিপ নাম্বার ও মেম্বারশিপ সার্টিফিকেট।

ই-ক্যাবের সদস্য হতে যেসব তথ্য লাগে-
# কোম্পানীর নাম, ধরণ, লোগো, ঠিকানা, ফোন, ই-মেইল, ওয়েবসাইট ও ফেসবকু পেজ;

# মালিকের নাম, ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র, ফোন নাম্বার, ই-মেইল, টিন ও স্বাক্ষর;

# প্রতিনিধি (যদি থাকে) এর নাম, ঠিকানা, ফোন নাম্বার, ই-মেইল, টিন ও স্বাক্ষর;

# মালিকের অথবা কোম্পানীর টিন নাম্বার ও টিন সার্টিফিকেট;

# ২ জন ইক্যাব মেম্বার। কম করে এক জন মেম্বারের রেফারেন্স আবশ্যিক;

# বিকল্প রেফারেন্স (যাদের পরিচিত কোনো ই-ক্যাব মেম্বার নেই তাদের জন্য) ব্যাংক তথ্য অথবা অন্য এসোসিয়েশনের সদস্যপদ।

ই-ক্যাবের সদস্য হতে লাগবে যেসব দলিলপত্র
# প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স;

# মালিক বা প্রতিনিধির জাতীয় পরিচয়পত্র;

# টিআইএন সার্টিফিকেট;

# মালিক ও প্রতিনিধির ছবি;

# ঠিকানা প্রমানের জন্য ইউটিলিটি বিলের কপি;

# মালিক ও প্রতিনিধির স্বাক্ষরের অনুলিপি;

# কোম্পানীর লোগো;

# অফিসের ছবি।

ই-ক্যাব সদস্য ফি
# ই-ক্যাবের সদস্য ফি-১০০০ টাকা;

# বার্ষিক ফি- ২০০০ টাকা;

# উন্নয়ন তহবিল- ১০০০ টাকা;

# কল্যাণ তহবিল- ১০০০ টাকা;

# সার্ভিস চার্জ- ২০০ টাকা;

# মোট- ৫২০০ টাকা।

ই-ক্যাবের সদস্য হওয়ার জন্য কোথায় যোগাযোগ করব?
ই-ক্যাবের সদস্য হওয়ার জন্য যোগাযোগ করতে হবে: 09678100700 এই নাম্বারে।

ই-ক্যাবের সদস্য হওয়ার প্রয়োজনীয় সব তথ্য পেতে যেতে হবে এই লিংকে

কয়েকটি লক্ষ্যণীয় বিষয়
১. আপনার কাজের সুবিধার জন্য আপনার প্রয়োজনীয় সব তথ্য হাতের কাছে নিয়ে ফরম পূরণ করতে বসুন।

২. কোনো কারণে কোনো তথ্য হাতের কাছে না থাকলে। ফরমটি ড্রাপ্ট আকারে সেভ করুন। পরে তথ্য নিয়ে পূরণ করে দিন।

৩. কোনো ছবি বা ফাইল ১ মেগাবাইটের বেশী যেন না হয়। তাহলে ফাইল সাবমিট করতে পারবেন না।

৪. যার রেফারেন্স দিবেন তাকে অবশ্যই বলে রাখুন। বা তার অনুমতি নিন।

৫. ট্রেডলাইসেন্স আপডেট আছে কিনা দেখে নিন।

৬. কোনো ভুল তথ্য দেয়া থেকে বিরত থাকুন।

৭. কোম্পানীর নাম, মালিকের নাম, ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র, টিআইএন এগুলো যেন একটার সাথে আরেকটা মিল থাকে সেদিকে খেয়াল করুন।

৮. প্রয়োজনে আগেই একটা নমুনা ফরম পূরণ করে নিন। (সূত্র: ই-ক্যাব ব্লগ)

লেখক : জহাঙ্গীর আলম শোভন

image_printপোস্টটি প্রিন্ট করতে ক্লিক করুন...