টেকভয়েস রিপোর্ট :: বন্ধ হচ্ছে না বেসিস নির্বাচন। নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বেসিস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবির।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) নির্বাহী কমিটির ২০১৮-২০২০ মেয়াদের নির্বাচন স্থগিত করতে মঙ্গলবার সকালে নির্দেশ দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

এ সিদ্ধান্ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বেসিস নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রার্থীরা বিকেল ৫টায় রাজধানীর কারওয়ান বাজারস্থ বেসিসের কার্যালয়ে নানান স্লোগান দিচ্ছিলেন।

‘৩১ মার্চেই নির্বাচন চাই’, ‘যথা সময়ে নির্বাচন না হলে থাকব না আর বেসিসে’, ‘বেসিস বাঁচাও, ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী নির্বাচন চাই’ ‘আমাদের দাবি একটাই, যথাসময়ে নির্বাচন চাই, এমনই নানান ধরনের স্লোগান দিচ্ছিলেন তাঁরা।

ধীরে ধীরে অন্যান্য সদস্যরা এসে তিন প্যানেলের মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রার্থীদের সাথে যোগ দেন। উত্তপ্ত হতে শুরু করে বেসিস কার্যালয়।

একটি ‘টিম হরাইজন’এর নেতৃত্ব দিচ্ছেন বর্তমান বেসিস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবির। পরিস্থিতির তোপের মুখে বেসিস সভাপতি বর্তমান নির্বাহী পরিষদকে নিয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দেয়া সিদ্ধান্তকে আগামীকাল আলোচনার মাধ্যমে নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার। এবং প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত দেয়া হয়।

বেসিস অফিসে আসা সংগঠনটির একজন সদস্য বিবার্তাকে বলেনে, ‘নির্বাচনের ৪দিন আগে নির্বাচন স্থগিতের আদেশ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমার মনে হয়, বেসিসকে ধ্বংস করার জন্য একটি কুচক্রি মহল অসৎ উদ্দেশ্যে নির্বাচন বাঁনচাল করেছে।’

গত ২১ মার্চ মধুমতি টেকের প্রোপাইটার রকিবুল মিনাসহ ১১ জনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২২ মার্চ নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়ে একটি চিঠি পাঠানো হয়। মঙ্গলবার দুপুরে চিঠিটি হাতে পেয়েছে বেসিস নির্বাচন কমিশন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সৈয়দা নাহিদা হাবিবা স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালের ২২ নভেম্বর যে বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) হওয়ার কথা ছিল সেটা শেষ করে এবং এখন পর্যন্ত বেসিস যেসব বিষয় সংশোধন না করে ঝুলিয়ে রেখেছে সেগুলো সংশোধন করে পুনরায় তফশিল করে নির্বাচন করতে নির্দেশনা দেয়া হয়।

একই আদেশে বর্তমান কমিটিকে নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে সময় দেয়া হয়েছে। তাদের মেয়াদ আরো ৬ মাস বাড়ানো হয়েছে।

এদিকে নির্বাচনের সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। ভোটাররা তাদের নির্বাচনী ভোটার আইডিকার্ড নেয়ার জন্য বেসিস কার্যালয়ে এসে ভীড় জমাচ্ছেন।

টেকভয়েস/পিবি

image_printপোস্টটি প্রিন্ট করতে ক্লিক করুন...